ড্রাগন ফলের উপকারিতা

ড্রাগন ফলের উপকারিতা

আজ আমরা জানব, ড্রাগন ফল কি? ড্রাগন ফলের উপকারিতা সম্পর্কে। তবে এই ড্রাগন ফলের উপকারিতা অনেক বেশি। এবং অপকারিতা খুবি কম, এই ফলটি খেতে খুবি সুস্বাদু ও স্বাস্থ্য কারি। সম্পতি বাজার গুলিতে বহুল পরিচিত একটা ফল সেটি হল ড্রাগন ফল। 

এই ফলটি দেখতে অদ্ভুত ও অন্যরকম এই ফলটি আমাদের বংলাদেশে নতুন। তবে বিশ্বের সকল দেশের বাজার গুলিতেই এই ড্রাগন ফলের চাহিদা অনেক। চলুন তাহলে যেনে নিই এই ড্রাগন ফল কি? ড্রাগন ফলের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত সকল কিছু। 

বাজারের অন্যোন্য সকল ফলগুলির চাইতে তুলনামূলক এই ড্রাগন ফলের দাম কিছুটা বেশি। তবে বেশি হলেও এর পুষ্টিগুণ ও দেখতে আকষনীয় হওয়ার এর চাহিদা অনেক। কারন ড্রাগন ফলে কম ক্যালরিযুক্ত এবং ফাইবার বেশি, তবে এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, খনিজ সরবরাহ করে এই ড্রাগন ফল। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবিই গুরুত্বপূন ভৃমিকা পালন করে। এবং আমাদের দেশে মৃলত লাল, সাদা, হলুদ রঙের ড্রাগন ফল দেখতে পাওয়া যায়। 

এই ড্রাগন ফল ত্বক উজ্জল, রক্তের শকরা মাত্রা নিয়ত্রন রাখা এছাড়াও ক্যান্সারের ঝুকি কমাতে গুরুত্বপূন ভৃমিকা পালন করে এই ড্রাগন ফল। এখুন আমরা যেনে নিব বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করা এই ড্রাগন ফল কি? এর উৎপত্তি, ড্রাগন ফলের উপকারিতা, ইত্যাদি সম্পর্কে। চলুন তাহলে দেরি না করে শুরু করা যাক- বৈচিত্রপৃন এই ফল সম্পর্কে জানতে পুরো লেখাটি পরার অনরোধ রইল!!

আরও পড়ুনঃ  কিসমিস এর উপকারিতা

ড্রাগন ফল

আমরা জানি যে, ড্রাগন ফলটি হচ্ছে ক্যাক্টাস (Cactus) জাতীয় গাছের একটি ফল। যা হাইলোসেরিয়াস ক্যাক্টাস গাছে জন্মে থাকে। ডিম্বকৃতির উজ্জল গোলাপি-হলুদ রঙের এই ফলের বৈজ্ঞানিক নাম হল- (Hylocereus Undatus) এই গাছটি হনলুলু কুইন বা আবার অনেকের কাছে রাতের রানী হিসেবেও পরিচিতি। তবে এই নামের পিছনে বিশেষ কিছু কারন রয়েছে।

সেটি হচ্ছে এই ফুলগুলি শুধু মাত্র রাতেই ফোটে। এই ফুলগুলি লম্বাটে সাদা ও হলুদ বনের হয়ে থাকে। দেখতে অনেকটা (Knight  Queen) ফুলের মত। তবে এই গাছগুলি দেখতে (Euphorbia) গোত্রের ক্যাক্টাসের মতো এবং এই গাছগুলি পাতাবিহিন। ফুলের পরাগায়ন নিজে নিজেই তৈরি হয়ে থাকে। এছাড়াও তারা অন্যোন্য পতঙ্গ যেমনঃ মশা, মাছি, পকা-মাকড় ও বিভিন্ন পাখির দ্বারাও পরাগায়ন হয়ে থাকে। এবং কৃত্রিম ভাবেও তাদেরকে পরাগায়ন করা জেতে পারে, আপনি চাইলে সহজেই করতে পারবেন।

ড্রাগন ফল চাষ পদ্ধতি

আপনারা যারা ড্রাগন ফলের উৎপত্তি স্থল সম্পর্কে জানেন না তাদের জন্য বলছি যে এই ড্রাগন ফলটি একটি ভিনদেশী বা বিদেশি ফল। যা কিনা দক্ষিন মেক্সিকো এবং মধ্য আমেরিকায় খুব বেশি পরিমানে জন্মে থাকে। সেন্টাল আমেরিকাতে এ ফলটি ১৩শ শতাব্দীতে প্রথম চিহ্নিত করা হয়। তখন সেখানেই শুধু এই ড্রাগন ফল উৎপাদন হতো। এবং বিশ্বের অন্যান্য কোন দেশে এর প্রচলন তখুন শুরু হয়নি। তার পরে দক্ষিন এশিয়ায় উৎপাদন শুরু হয় ২০ শতাব্দীতে এসে।

এরপর সময়ের পরিত্রমায় আস্তে আস্তে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এর চাষাবাদ শুরু তাও সবপ্রথম মালয়েশিয়াতে। তবে বতমানে ভিয়েতনামে বানিজ্যিক ভাবে সবচেয়ে বেশি এই ড্রাগন ফলের চাষ করা হয়। এই ফল এখুন এসে দক্ষিন আমেরিকা, দক্ষিন-পৃব এশিয়া, দক্ষিন চীন, ইসরাইল, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, মেক্সিকো, ইন্দোনেশিয়া সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বানিজ্যিক ভাবে ব্যাপক হারে চাষ হচ্ছে।

এবং বানিজ্যিক ভাবে চাষাবাদ লাভজনক হওয়ায় আমাদের বাংলাদেশেরও চাষিদের কাছে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। এই ড্রাগন ফলের চাষের উপায়। বতমানে অনেকেই এই ড্রাগন ফলের চাষের জন্য বাসার ছাদের পাশাপাশি বানিজ্যি ভাবে ভিটা মাটিতে ও পাহাড়ি জমিতে চাষ শুরু করেছেন।


আরও পড়ুনঃ এলোভেরার উপকারিতা


ড্রাগন ফল কত প্রকার

খেতে রসালো ও অল্প মিষ্টি স্বাদের এই ফলটির বেশ কয়েকটি প্রকার বা প্রজাতি বিদ্যমান রয়েছে। যথা:

  • কোস্টারিকা ড্রাগন: এই জাতের ড্রাগন ফলের খোসা ও ভেতরের শাঁস বা পাল্প উভয়ই লাল রঙের হয়।
  • লাল ড্রাগন ফল: পিতায়য়া বা লাল ড্রাগন ফলের খোসা লাল এবং  ভেতরের শাঁস বা পাল্প সাদা রঙয়ের হয়।
  • হলুদ ড্রাগন ফল: এই জাতের ড্রাগন ফলের খোসা  হলুদ রঙের হয় এবং  ভেতরের শাঁস বা পাল্প সাদা রঙের হয়।

১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলের মধ্যে কি কি উপাদান থাকে

প্রোটিন       = ০.১৫-০.৫ গ্রাম

শকরা         = ৯-১০ গ্রাম

ফসফরাস   = ১৬-৩৫ গ্রাম

আয়রন       = ০.৩-০.৭ মিলিগ্রাম

পানি           = ৮০ গ্রাম

শক্তি           = ৩৫-৫০ কিলো ক্যালোরি

ভিটামিন বি = ৩-০.২-০.৪ মিলিগ্রাম

ক্যালসিয়াম = ৬-১০ মিলিগ্রাম

ফ্যাট          =০.১০-০.৬ মিলিগ্রাম

আঁশ           = ০.৩৩-০.৯০ গ্রাম

ক্যারোটিন   = অল্প

ভিটামিন এ  = অল্প

থায়ামিন      = অল্প

রিবোফ্লামিন = অল্প

এবার আমরা জানব, ড্রাগন ফল খাওয়ার কি কি উপকারিতা আসে এই সম্পর্কে। চলুন যেনে নেওয়া যাক-


আরও পড়ুনঃ থাইরয়েড নরমাল কত হওয়া উচিত


ড্রাগন ফল এর উপকারিতা

আমরা জানি যে, ড্রাগন ফলের অপকারিতার চেয়ে এর উপকারিতা মাত্রা অনেক বেশি। শুরুতেই আমরা যেনে নিবো এর উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত সকল কিছু। চলুন তাহলে যেনে নেওয়া যাক-

১. ড্রাগন ফল হাটকে সুস্থ রাখতে সাহায়্য করে

ড্রাগন ফল মানবদেহের হাটকে সুস্থ রাখতে সাহাজ্য করে। কেননা এই ড্রাগন ফল্টির মধ্যে রয়েছে আশ্চযজনক শক্তি। যা মানবদেহের খারাপ রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমাতে সাহায্য করে। এবং ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রাকে বৃদ্ধি করে। যা মানবদেহের হাটকে ভালো অবস্থায় রাখতে সাহায্য করে। 

২. ড্রাগন ফল হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক

ড্রাগন ফল আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তার সাথে সাথে পাকস্থলীর প্রত্রিয়া পরিস্কার করতেও সহায়ক। কারন ড্রাগন ফলের মধ্যে আছে ফাইবার যা হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এবং কোথিনকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়।

৩. ড্রাগন ফল ওজন কমাতে আদর্শ খাবার

আমি বলতে পারি যাদের ওজন বেশি তাদের বেশি বেশি করে ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত। কারন ড্রাগন ফল আপনার ওজন কমাতে আদর্শ একটি খাবার। কেননা ড্রাগন ফলে মধ্যে ফ্যাটের পরিমান নাই বললেই চলে।

৪. ড্রাগন ফল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে সহায়ক

ড্রাগন ফল আমাদের শরীরের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে। কারন ড্রাগন ফলে আছে ফাইবার যা আমাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে। ড্রাগন ফল রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে এবং চিনির মাত্রা স্থিতিশিল করতে সাহায্য করে। তাই সবসময় সুস্থ থাকতে চিকিৎসকের পরামশ নিয়ে নিয়মিত ড্রাগন ফল খান।


আরও পড়ুনঃ  ডায়াবেটিস কমানোর উপায়


৫. ড্রাগন ফল ক্যান্সার প্রতিরোধক

আমাদের শরীরের বাসাবাধা ক্যান্সার রোগ প্রতিরোধে ড্রাগন ফল সাহায্য করে। কেননা এই ড্রাগন ফলে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা আমাদের শরীরের  ক্যান্সার উৎপাদনকারী কোষ গুলিকে ধবৎস করতে সাহায্য করে। এই ড্রাগন ফলের মধ্যে ৯০% অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই ক্যান্সারের মত রোগের হাত থেকে বাস্তে আমাদের প্রতিদিন এই ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত।

৬. ড্রাগন ফল কিডনিকে সুস্থ রাখতে সহায়ক

ড্রাগন ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম আছে আর এই পটাশিয়াম মানবদেহের কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও কিডনিতে পাথর জমতে বাধা দেয়। তাই আমি বলবো কিডনিকে সুস্থ রাখতে হলে ড্রাগন ফল নিয়মিত খান।

৭. ড্রাগন ফল হাড় শক্ত করতে সহায়ক

মানবদেহের হাড় শক্ত করতে ড্রাগন ফল বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। কারন ড্রাগন ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমান ম্যাগনোসিয়াম থাকে। যা অন্যোন্য কোন ফলের মধ্যে থাকেনা। আর এই ম্যাগনোসিয়াম মানুষের দেহের হাড়কে মজবুত এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৮. ড্রাগন ফল চোখের দৃষ্টি শক্তি উন্নতি করতে কাজ করে

মানবদেহের চোখের দৃষ্টি শক্তি উন্নতি করতে ড্রাগন ফল চমৎকার ভাবে সাহায্য করে। কেননা এই ড্রাগন ফলের প্রচুর পরিমানে বিটা ক্যারোটিন থাকে। এবং একটি গাজরের মধ্যে যে সকল ভিটামিন থাকে। ওই সকল ভিটামিন একটি ড্রাগন ফলের মধেও থাকে, তাই আপনি যদি গাজর খেতে পছন্দ না করেন তাহলে ড্রাগন ফল খেতে পানের।

৯. ড্রাগন ফল চুল পরা রোধ করে

ড্রাগন ফল আমাদের মাথার চুল পরা রোধ করতে চমৎকার কাজ করে। ড্রাগন ফলের রস করে মাথায় চুলের গোঁড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ৩০-৪০ মিনিট রাখার পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন। ফলে এটি আপনার চুল পেকে যাওয়া রোধ করবে এবং চুল ঝরে পড়া রোধ করবে, এবং চুলকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। আর এই ড্রাগন ফলের রস চুলের কোষ গুলাকে পুনরাবৃত্তি করতে সাহায্য করে। এবং আপনার চুলগুলি অক্সিজেন পাবে তাছারাও মসৃন স্বাস্থ্যকর হয়ে উঠবে।

১০. ড্রাগন ফল মুখের ব্রন ও ব্রনের দাগ দূর করতে সহায়ক

মুখে ব্রনের সমস্যা দূর করতে ড্রাগন ফলের রস কাযকারি একটা উপাদান। কারন ড্রাগন ফলের রসে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। তাই এটি টপিকাল মলম হিসেবে কাজ করে। এই ড্রাগন ফলের রস আপনি যদি কিছু দিন সকাল ও রাতে ব্যবহার করেন আশা করি ভালো ফলাফল পাবেন।


আরও পড়ুনঃ থাইরয়েড কমানোর উপায়


ড্রাগন ফলের অপকারিতা

পুরো আর্টিকেল জুরে আমরা শুধু ড্রাগন ফলের উপকারিতা গুলিয় জানলাম কিন্তু ড্রাগন ফলের ও কিছু অপকারিতা আছে সেগুলি সম্পর্কে আমাদের সচেতন থাকাই ভালো।

  • যাদের এলাজি আছে তাদের অতিরিক্ত মাত্রায় ড্রাগন ফল খেলে এলাজি হতে পারে।
  •  অতিরিক্ত পরিমানে বা বেশি মাত্রায় ড্রাগন ফল খেলে ডায়রিয়াও হতে পারে। তাই এটি কখুনই করবেন না।

অন্যথায় ড্রাগন ফল আপনার দেহে বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই খুব বেশি পরিমানে ড্রাগন ফল না খাওয়াই ভালো। তবে পরিমাণ মতো এই ফল খেলে আপনি এ থেকে সুফল পাবেন।

ড্রাগন ফল খাওয়ার নিয়ম

আপনারা অনেকেই ড্রাগন ফলের স্বাদ নিয়ে চিন্তিত যে এই ফলের স্বাদ কেমন হবে বা কিভাবে খাওয়া যায় এই সমস্ত বেপার নিয়ে। চলুন তাহলে এই সম্পর্কে যেনে নেওয়া যাক- ড্রাগন ফল বিশেষ করে হালকা ঠাণ্ডা হয়। এবং এর পরেও যদি আপনি ড্রাগন ফল ফ্রিজে রেখে খান তাহলে এতে করে দারুন স্বাদ পাবেন।

প্রথমে ফ্রিজ থেকে বাহির করে নিবেন তার পর ভালো ভাবে ধুয়ে দুই ভাগ করে কেটে নিবেন, কেটে নেওয়ার পর তা চামচ বসিয়ে দিয়ে তুলে তুলে খেতে পারেন। অথবা 4 ভাগ করে বা পিস পিস কেটে খেতে পারেন। তবে যদি ফলটি পাকা হয় তাহলে দুই দিকে ধরে নিচের দিকে ভাজ করার মতো করলে ড্রাগন ফলের খোসা থেকে মাংস আলাদা হয়ে যাবে, এবং এটা খুব সহজে খেতে পারবেন। তবে ভুল করেও কেউ আবার ফলের খুসা খায়েন না।

এই ড্রাগন ফল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারি। তবে এটি অত্যধিক সেবনের ফলে আপনার স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। আমরা সকলেই জানি অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো না। তাই নিয়ম মেনে পরিমান মতো ফল খেলে আপনারা সকল প্রকার ভিটামিন এই ফল থেকে পাবেন। তাই এই ড্রাগন ফলের উপকারিতা সঠিক ভাবে পেতে হল নিয়ম মেনে এটি খেতে থাকুন।


আরও পড়ুনঃ কালোজিরা ও রসুনের উপকারিতা


টবের মধ্যে ড্রাগন ফল চাষ

ড্রাগন ফল একটি গ্রীষ্মকালীন ফল। যা পৃথিবীর অনেক জায়গায় জনপ্রিয় একটি ফল। এই ফল প্রায়ই তাজা পাওয়া যায়। বিভিন্ন খাবারেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ড্রাগন ফলের চাষ বিভিন্ন উপায়ে করা হয়ে থাকে। তবে সবচেয়ে সাধারণ ড্রাগন ফলের চাষ পদ্ধতি একটি টপের মধ্যে ড্রাগন ফলের চাষ করা। তবে বড় টব নিতে হবে। টবের দেয়ার মাটিতে তৈরি হয়ে গেলে কিছু পরিমান পচা গোবর, পরিমান মতো টিএসপি, সার পরিমান মতো এমওপি এবং পরিমান মতো জিংক সালফেট মাটির সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।

তার কিছু দিন পরে গর্ত করে চারা রোপন করে তার পর পানি দিতে হবে। এবং কিছু দিন ছিয়ে জাইগায় রাখতে হবে, যেখানে রোধ খুবি কম লাগে এই রকম জাইগা দেখে যেমন ৩-৭ দিন। এই দিন গুলি পার হয়ে গেলে তার পর থেকে আপনি পুরোপুরি রোধে রাখতে পারবেন। এবং তার পাশাপাশি ড্রাগন ফলের গাছ পানি থেকে দূরে রাখবেন। কারন ড্রাগন ফলের গাছের গুরাই পানি থাকলে গাছ পোঁচে যাওয়ার সম্ভবনা বেশি। তাই সবসময় এই দিকে খেয়াল রাখবেন।

শেষ কথা

আজকে আমরা এই আর্টিকেলটিতে থেকে জেনে নিলাম ড্রাগন ফল কি? ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিশেষ কিছু তথ্য। তার সাথে আরও জানতে পারলাম ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে। এবং  ড্রাগন ফলে কি ভিটামিন আছে, এর সাথে আরও জেনে নিলাম ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা এবং অপকারিতা। তার সঙ্গে জানলাম গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত কি উচিত না।

আরো জেনে নিলাম ড্রাগন ফল খাওয়ার নিয়ম। তাছাড়া ড্রাগন ফলের চাষ কিভাবে করব বাড়িতে টবের মধ্যে, ড্রাগন ফলের উৎপত্তিস্থল কোথায়, ড্রাগন ফলের নামকরন, ড্রাগন ফল কত প্রকার ইত্যাদি সম্পর্কে। আশা করি, আপনাদের কাছে আমাদের লেখা ড্রাগন ফল কি? ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা এই আর্টিকেলটি ভাল লেগেছে। যদি কোন ড্রাগন ফল বিষয় নিয়ে প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্টে জানান। আপনার সু স্বাস্থ্যতা কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি ধন্যবাদ।

ড্রাগন ফল নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর / FAQ’s

ড্রাগন ফল কখন পাঁকে?

ড্রাগন ফল মৃলত গ্রীষ্মকালীন ফল, তাই এটি মার্চ মাস থেকে শুরু করে জুন মাসের মধ্যে পেকে থাকেন।

ড্রাগন ফল কত টাকা কেজি?

অন্যোন্য ফলের তুলনায় এই ড্রাগন ফলের দাম মৃলত একটু বেশি। প্রতি কেজি ড্রাগন ফলের দাম ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা হয়ে থদ্রাগ

গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত কি অনুচিত?

গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত কি অনুচিত? এই প্রশ্নটা প্রায় অনেকই করতে থাকেন। এই ড্রাগন ফলের মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যেটা সমস্ত গর্ভবতী মায়েদের জন্য উপযুক্ত খাবার। তবে ড্রাগন ফল খাওয়ার আগে, এর নিয়ম সম্পর্কে ভালো ভাবে জেনে নিন এবং তার সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ড্রাগন ফলের চারা কোথায় পাওয়া যায়?

এটি মৃলত হাটে-বাজারে ও নাসারিতেই পাওয়া যায়।

ড্রাগন ফল কত প্রকার?

ড্রাগন ফল মৃলত ৩ প্রকার যথা- সাদা, লাল এবং হলুদ।

ড্রাগন ফল এর অপকারিতা কি? 

অতিরিক্ত ড্রাগন ফল খেলে এলাজি হতে পারে। এছাড়াও এমনকি ডায়ারিয়াও হতে পারে তাই এ থেকে সাবধান থাকাই ভালো।

ড্রাগন ফল কত দিনে পাঁকে?

ড্রাগন ফল পাঁকতে মৃলত দেড় থেকে দুই মাস লাগে।

ড্রাগন ফলের কি কি উপকারিতা আছে?

আমরা জানি, ড্রাগন ফলের উপকারিতা অনেক বেশি। যেমন- ড্রাগন ফল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাই, ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি পাই, হাঁপানি নিয়ন্ত্রণ করে, হাটকে ভালো রাখে, এছাড়াও চুলপড়া কমায়, ওজন কমাতে সাহায্য করে, রক্ত পরিস্কার করে, কান্সার রোগ প্রতিরোধ করে, হাড় শক্ত করে ইত্যাদি।

আরও পড়ুন-

থাইরয়েড এর লক্ষণ ও প্রতিকার

লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা

Leave a Comment